প্রকাশিত: ১১/০২/২০১৫ ৬:২২ অপরাহ্ণ

Refugee Camp
মাহমুদুল হক বাবুল, উখিয়া:
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প পুলিশের সহযোগিতায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা ঝুঁপড়ি ঘরগুলোতে চলছে নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। ফলে এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতির আশংকা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রেজিষ্ট্রার্ট-আনরেজিষ্ট্রার্ট রোহিঙ্গাদের ৫ শতাধিক ঝুঁপড়ি ঘরে ক্যাম্প ম্যানেজম্যান্ট কমিটির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের নেতৃত্ব্ ে ১০/১২ জনের একটি সিন্ডিকেট গঠন করে টেকনাফ থেকে মরণ নেশা ইয়াবা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রকার মাদক নিয়ে এসে ক্যাম্প অভ্যন্তরে মজুদ করে ক্যাম্প পুলিশকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ মাদক পাচার করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ক্যাম্প এলাকায় কোন ব্যক্তি এদের এ মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাদের উপর নেমে আসে অমানবিক নির্যাতন ও অত্যচার। ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, ওই অপরাধীরা ক্যাম্প এলাকায় করে না এমন কোন কাজ নেই। ধর্ষণ, হত্যা, খুন, অপহরণ, ছিনতাই তাদের নিত্য দিনের পেশা ও নেশায় পরিণত হয়েছে। আনরেজিষ্ট্রার্ট ক্যাম্প চেয়ারম্যান মাষ্টার রাকিবুল্লাহ বলেন, ওই সন্ত্রাসীরা ক্যাম্প পুলিশ ও স্থানীয় এক প্রভাবশালীকে মাসিক মাশুয়ারা দিয়ে এ অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারকে বিপাকে ফেলার জন্য ওই সিন্ডিকেটের অন্যতম জঙ্গিনেতা হাফেজ নাঈমুল্লাহর নেতৃত্বে নতুন টালের একটি মসজিদের ভিতরে জঙ্গিদের সাথে দফায় দফায় গোপন বৈঠকও হয়েছিল। ক্যাম্পের একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, রোহিঙ্গা বস্তির উঠতি বয়সী সুন্দরী যুবতী মেয়েদের জিম্মি করে স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও উঠতি বয়সী যুবকদেরকে কৌশলে তাদের মাধ্যমে ক্যাম্প অভ্যন্তরে নিয়ে এসে তাদেরকে অপহরণ পূর্বক মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে মুক্তিপনের মাধ্যমে তাদেরকে ছেড়ে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি শরণার্থী ক্যাম্পের শীর্ষ ডাকাত ও অপরাধ জগতের ত্রাস নামে খ্যাত ক্যাম্প ম্যানেজম্যান্ট কমিটির বহিস্কৃত ছৈয়দ আলম, ৮নং স্কুলের মাষ্টার জাবের, ভুঁয়া বিকাশ ব্যবসায়ী শামশুসহ একটি সিন্ডিকেট গঠন করে মিয়ানমারের বুচিদং এলাকার ছেলে মালয়েশিয়া অবস্থানরত বাছিরকে ওই সিন্ডিকেট বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৪২ নং শেডের ৮০ হাজার এমআরসি ৪নং রোমের নাজির হোছনের মেয়ে হামিদা বেগমকে দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মালয়েশিয়া অবস্থানরত বাছিরের কাছ থেকে ১৩/৩/২০১৪ইং থেকে ১০/২/২০১৫ইং সাল পর্যন্ত প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পথে বসিয়েছে ওই চক্রটি। বাছির সাংবাদিকদেরকে অভিযোগ করে বলেন, ক্যাম্প কমিটির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম ও তার সিন্ডিকেটের লোকেরা হামিদা বেগমের সাথে আমার বিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাত করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আমি ওই অপরাধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ সুপারে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এব্যাপারে ক্যাম্প পুলিশের আইসি শহিদুল হক উৎকোচ গ্রহণের কথা অস্বীকার করেন।

পাঠকের মতামত

সফরে বিনোদনের পাশাপাশি জীব-বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে উখিয়া কলেজ শিক্ষার্থীরা

সফরে বিনোদনের পাশাপাশি জীব-বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে উখিয়া কলেজ শিক্ষার্থীরা

পলাশ বড়ুয়া:: উখিয়া কলেজের বার্ষিক শিক্ষা সফর-২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে আজ। নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে প্রায় ...